Pradip Sir
April 9, 2026
23 views
বাংলা সাহিত্য
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সাল-বিতর্ক
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কার ও প্রকাশকাল নিয়ে প্রচলিত তথ্য হল - কাব্যটা ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কৃত ও ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। কিন্তু তথ্যটা ভুল বলে বর্তমানে প্রমাণিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আবিষ্কারের সাল হবে - ১৯১০ ও প্রকাশের সাল হবে - ১৯১৭।
আবিষ্কার :
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য আবিষ্কৃত হয় ১৩১৬ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে অর্থাৎ ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে।
প্রকাশ :
• কাব্যটা ১৩২৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসের শেষ দিকে মহাবিষুব সংক্রান্তিতে অর্থাৎ ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ এপ্রিল প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা :
• আসলে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য যখন সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত হয়, তখন সেই বইয়ের কপিরাইট পেজে প্রথম সংস্করণ প্রকাশের সাল হিসাবে "১৩২৩ বঙ্গাব্দ" লেখা ছিল। এছাড়া বসতরঞ্জনবাবু ভূমিকায় আবিষ্কারের কাল হিসাবে শুধু ১৩১৬ উল্লেখ করেন। মাসের উল্লেখ না থাকায় পরবর্তীতে সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সময় খ্রিস্টাব্দে সালনির্দেশ করতে গিয়ে সবাই বঙ্গাব্দের সাথে ৫৯৩ যোগ করে খ্রিস্টাব্দ করে সেই সাল উল্লখ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ১৩৮০ সংস্করণ প্রকাশের সময় পরিষদের নির্দেশে শ্রী মদনমোহন কুমার বসন্তরঞ্জনের জীবন ও কর্মের উপর দীর্ঘ গবেষণাঋদ্ধ যে প্রবন্ধ লেখেন, সেখানে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, বঙ্গাব্দে সাল ঠিক থাকলেও মাসের উল্লেখ না থাকায় ইংরেজি সাল নির্ণয়ে এক বছরের ব্যবধান তৈরি হয়ে গেছে।
আমরা কী করব ?
• লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন এবং অপশন বুঝে উত্তর দিতে হবে। তবে ইন্টারভিউয়ে যদি এই প্রশ্ন করেন তবে নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে হবে যে প্রশ্নকর্তা এই পুরো বিষয়টা জেনেবুঝেই প্রশ্ন করছেন এবং তোমার কাছে এই উত্তরটাই আশা করছেন। তাই তুমি পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলতে পারলে ওখানেই ইন্টারভিয়য়ের বাজি তুমি অনেকটা জিতে নিতে পারবে।
আবিষ্কার :
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য আবিষ্কৃত হয় ১৩১৬ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে অর্থাৎ ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে।
প্রকাশ :
• কাব্যটা ১৩২৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসের শেষ দিকে মহাবিষুব সংক্রান্তিতে অর্থাৎ ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৩ এপ্রিল প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা :
• আসলে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য যখন সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত হয়, তখন সেই বইয়ের কপিরাইট পেজে প্রথম সংস্করণ প্রকাশের সাল হিসাবে "১৩২৩ বঙ্গাব্দ" লেখা ছিল। এছাড়া বসতরঞ্জনবাবু ভূমিকায় আবিষ্কারের কাল হিসাবে শুধু ১৩১৬ উল্লেখ করেন। মাসের উল্লেখ না থাকায় পরবর্তীতে সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সময় খ্রিস্টাব্দে সালনির্দেশ করতে গিয়ে সবাই বঙ্গাব্দের সাথে ৫৯৩ যোগ করে খ্রিস্টাব্দ করে সেই সাল উল্লখ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ১৩৮০ সংস্করণ প্রকাশের সময় পরিষদের নির্দেশে শ্রী মদনমোহন কুমার বসন্তরঞ্জনের জীবন ও কর্মের উপর দীর্ঘ গবেষণাঋদ্ধ যে প্রবন্ধ লেখেন, সেখানে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, বঙ্গাব্দে সাল ঠিক থাকলেও মাসের উল্লেখ না থাকায় ইংরেজি সাল নির্ণয়ে এক বছরের ব্যবধান তৈরি হয়ে গেছে।
আমরা কী করব ?
• লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন এবং অপশন বুঝে উত্তর দিতে হবে। তবে ইন্টারভিউয়ে যদি এই প্রশ্ন করেন তবে নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে হবে যে প্রশ্নকর্তা এই পুরো বিষয়টা জেনেবুঝেই প্রশ্ন করছেন এবং তোমার কাছে এই উত্তরটাই আশা করছেন। তাই তুমি পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলতে পারলে ওখানেই ইন্টারভিয়য়ের বাজি তুমি অনেকটা জিতে নিতে পারবে।
Tags:
বাংলা সাহিত্য প্রাচীন ও মধ্যযুগ
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য